বাংলাদেশে ধর্মানুভূতির চর্চা সেই কবেকাল থেকে চলে আসছে! হুমায়ুন আযাদ বলে গিয়েছেন এই রোগের কথা। অধুনা এই রোগ বিশ্রী রকম চাগা দিয়েছে। হুমায়ুন আজাদের প্রজন্মের হাতে গোনা কয়েকজন এ নিয়ে প্রতিবাদ করতেন।

কিন্তু অধুনা নাস্তিক প্রজন্ম তো লাখে লাখে। ব্লগে, ফেসবুকে তাদের অসংখ্য লেখায় সউদি পাকি দোসর দেশীয় ইসলামবাজ দিশেহারা।

কুকুর লেলিয়ে দিয়েছে তাই কয়েকজন নাস্তিককে হত্যায়।

কিন্তু বাকি লাখ নাস্তিকের কি ফয়সালা করবে? গনহত্যা? একাত্তরের চৌদ্দই ডিসেম্বর দোহরাবে?

সেটা শুরু করেছে দেশী পুলিস, দেশী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মন্ত্রনালয়।

মন্ত্রীরা মিলে দেশী তরুণ নাস্তিদের ভয় দেখাচ্ছে। হাতকড়া দুলিয়ে, দাঁত কেলিয়ে অথর্ব অপদার্থ মন্ত্রীগুলো ইসলামবাজের দেয়া নোটের তাড়া হালাল করছে।

তাদের উদ্দেশ্য তরুণ প্রজন্ম যাতে ভয় খেয়ে যায়।

ওরে ছাগলের ছাগল তস্য ছাগল, হাতকড়ার ভয়ে যদি তরুণ দমে যেতো, তাহলে নামটা তাদের তরুণ হতো না, বাংলাদেশ কোনদিন স্বাধীন হতো না। এরশাদের কোনদিন পতন ঘটতো না।

যতো বেশি ভয় দেখাবি, ততো বেশি লিখবো।

লিখেই তোদের বাপের ধর্ম, উড়ে এসে জুড়ে বসা সউদি বর্বরতা পুরো মোরব্বা বানিয়ে ছেড়ে দিয়েছি, দিচ্ছি আরো দেবো। চাপাতির কোপ খেতে খেতে তোর ধর্মের গুষ্টি উদ্ধার করবো, যুক্তির কথা বলবো, মননশীলতার চর্চা করে যাবো।

ভয়ের যে আবহ তোদের জঙ্গী আর পুলিস মিলে তৈরি করছে, তার নিচেই চলবে মননের চর্চা। বাঙালী কোনদিন সউদি বর্বরতার ভয়ে গর্তে লুকায় না।

তোদের চাপাতি আমাদের নিশ্চিত করেছে, আমরা সঠিক পথেই আছি।

(240)